উত্তরবঙ্গের সব জেলায় তাপমাত্রা নেমে গেছে, দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা নেমে চার ডিগ্রিতে

নিউজ ডেস্ক
কলকাতা

Published Time

November 22, 2020, 10:11 am

Updated Time

November 22, 2020, 10:11 am
the-temperature-in-darjeeling-dropped-to-four-degrees
শীত

শীত এসেই গেল গুটি গুটি পায়ে! নেমে গেছে লেপ-কম্বল-সোয়েটার-মোজা! 

উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলায় তাপমাত্রা প্রচণ্ডভাবে নেমে গেছে। এদিকে দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে চার ডিগ্রিতে। 

ঠাণ্ডা যে পড়বে তার আভাস আগেই পাওয়া গেছে। যদিও তাপমাত্রা যে এতভাবে নেমে যাবে, ভাবা যায়নি। 

 

শনিবার এবং রবিবার দার্জিলিংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাটা খেয়াল করুন। শনিবার দার্জিলিংয়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । অন্যদিকে রবিবার সেই তাপমাত্রা হয় ৪.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অন্যদিকে রবিবার, কোচবিহারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জলপাইগুড়িতে হচ্ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মালদহে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল।

শনিবার দার্জিলিংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কোচবিহারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, জলপাইগুড়িতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মালদহে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কালিম্পংয়ে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শুক্রবার আবার দার্জিলিংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  

শীতের প্রবাহ উপভোগ করছেন মানুষ! তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন! বলা হচ্ছে, শীতে প্রাণঘাতী করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে! ফলে শীত এখন আর আরামদায়ক হয়ে নেই মানুষের কাছে। বরং যেন ভয়ের! তবে সাবধান হতে হবে আরো বেশি। বাইরে বেরোলেই মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, প্রভৃতি মেনে চলতেই হবে! কারণ পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। 

ভারতে এই সংক্রমণ কমছে, আবার দেখা যাচ্ছে দু-তিনদিনেই তা বেড়ে যাচ্ছে। তবে সুস্থও হচ্ছেন মানুষ! সেটা অবশ্যই বলা বাহুল্য।

রবিবার বাঁকুড়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিঘায় সেটা ১৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অন্যদিকে আসানসোলে ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, হলদিয়াতে ১৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

এদিকে শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি স্বাভাবিকের তুলনায় তিন ডিগ্রি বেশি।

উত্তর পূর্ব ভারতের অসমেও বেশ ঠাণ্ডা পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে রাতে পাখা চালানো! মধ্যরাত থেকেই শীত লাগছে। যদিও উজান অসমে ঠাণ্ডাটা বেশ আগেই এসেছে। তবে নিম্ন অসমের গুয়াহাটিতে এমনিতেও অনেক পরে আসে ঠাণ্ডা! 

মোটামুটিভাবে এখানে দু’মাস ঠাণ্ডা থাকে বড়জোর! এরপর থেকেই ধীরে ধীরে গরম অনুভব হতে থাকে।

তবে এখন গুয়াহাটি শহরে প্রায় সকলেরই কম্বল-লেপ নেমে গেছে। সকালটা বেশ অন্যরকম। 

 



Recent News

Available at

© 2019 - Maintained by EZEN Software & Technology Pvt. Ltd