


ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব কাজ করে চলেছেন ত্রিপুরাবসীর জন্য। সেখানে যেন কোন তৃণমূলের প্রবেশ না ঘটে, সেও চেষ্টা করছেন, তবে সেটা কাজের মাধ্যমে।এবার ভালোই সুযোগ খুঁজছে তৃণমূল। যাই হোক, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী এগিয়ে যাচ্ছেন। ফলা যাবে, এরই অংশ হিসেবে--- আজ থেকে রাজ্যব্যাপী সিএম হেল্প লাইন নম্বর ১৯০৫ -র সূচনা করা হয়েছে।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব তাঁর ফেসবুকে বেশ কয়েকটি ছবি দিয়ে লিখেছেন সরকারছর সাথে জনগণের সম্পর্ক আরো কাছাকাছি, আরো নিবিড় করার লক্ষ্যেই রাজ্যব্যাপী সিএম হেল্প লাইন নম্বর ১৯০৫ -র সূচনা করা হয়েছে। লিখেছেন:
"জনকল্যাণে সমস্ত পরিষেবার সুযোগ প্রত্যেক নাগরিকের কাছে পৌঁছেদিতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকারের সঙ্গে নাগরিকদের আরও নিবিড় সম্পর্ক তৈরীর লক্ষ্যে আজ থেকে রাজ্যব্যাপী সিএম হেল্প লাইন নম্বর ১৯০৫ -র সূচনা করা হয়েছে। রাজ্যের যেকোনো প্রান্ত থেকে এই নম্বরে ফোন করে আপনাদের অভিমত জানানোর পাশাপাশি বিভিন্ন পরিষেবা সম্পর্কে জানার সুযোগ থাকবে।
ত্রিপুরার সিএম আরো লেখেন, "কোভিড পরিস্থিতিজনিত কারণে রাজ্যব্যাপী মুখ্যমন্ত্রী জনতার দরবার কর্মসূচি স্থগিত রাখার ফলে, এই হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে আপনাদের মূল্যবান অভিমত বা পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। এবং প্রাথমিক ভাবে সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত এই পরিষেবার সুযোগ মিলবে। শীঘ্রই এই পরিষেবা দিবারাত্রি ২৪ ঘন্টা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।
স্বচ্ছতার সঙ্গে নাগরিক পরিষেবা প্রদানে আমরা কাজ করছি। আমার বিশ্বাস এই পরিষেবার ফলে ঘরে বসেই বিভিন্ন পরামর্শ ও পরিষেবার সুযোগ বৃদ্ধির ফলে নাগরিকদের সহায়তা হবে। রাজ্যের নাগরিকদের মূল্যবান পরামর্শ আমাদের চলার পথকে আরও সমৃদ্ধ করবে"। আশাবাদী ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।
সমালোচকরা বলছেন, দিদিকে বলো' আদলেই এই উদ্যোগ। তবে সেসবে কান না দিয়ে নিজের কাজ করে যাচ্ছেন বিপ্লব দেব। দিদিকে বলো-কে টেক্কা দেবেন না বিপ্লব দেব। যদিও ওয়াকিবহাল মহলের মতামত, বিষয়টি অনেকটাই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির মত। পথটা এক হয়তো তবে বিপ্লব বিপ্লবের মতে। এতে করে জনগণের সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ত্রিপুরার বাসিন্দাদের চাওয়া পাওয়ার উপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এবং সেভাবেই সবটা খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তৃণমূলও বিধানসভা নির্বাচনের আগে পাড়ি দিয়েছে ত্রিপুরায়। ফলে বিপ্লব দেব ও তাঁর কাজের জোর বাড়িয়ে দিয়েছেন। ২০২৩ সালে ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচন সংঘটিত হতে চলেছে। এদিকে, তার আগেই ত্রিপুরায় সংগঠন বাড়ানোর দিকে নজর দিয়েছে তৃণমূল। আর ত্রিপুরার লোকের আস্থা অর্জন করার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়া হচ্ছে বলেই মনে করছে মহল।

