


শহীদ সিআরপিএফ জওয়ান শম্ভু রায়-র মরদেহ আজ ত্রিপুরায় আনা হয়েছে।
মাওবাদীদের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ২২ জন সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। তাঁদেরই একজন ত্রিপুরার।
উত্তর ত্রিপুরা জেলার ভাগ্যপুর গ্রামের বাসিন্দা দীপক রায়ের ছেলে শম্ভু রায়। ছত্তিশগড়ে মাওবাদী হামলায় তিনি শহীদ হয়েছেন।
ভাগ্যপুর গ্রামে বাবা, মা, ছোট ভাই ও দুই বোনকে রেখে সাহসী সন্তান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মঙ্গলবার সকালে তাঁর মরদেহ আগরতলার এমবিবি বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
এমবিবি বিমানবন্দরে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানান সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক, বিধায়ক দিলীপ দাসসহ সিআরপিএফের পদস্থ আধিকারিকরা।
শহীদ জওয়ানকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। সিআরপিএফের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জওয়ানের নশ্বরদেহ ধর্মনগর-র ভাগ্যপুরস্থিত নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্রতিমা ভৌমিকসহ অন্যান্যরা তাঁকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
“রাজ্য এবং গোটা দেশ আজ হারিয়েছে এক বীর সন্তানকে l তাঁর পরিবার পরিজনদের প্রতি আমার সমবেদনা l ঈশ্বর তাদেরকে এই শোক কাটিয়ে উঠার শক্তি দিক”l
“ছত্তিশগড়ে মাওবাদী নক্সালীদের অতর্কিত হামলায় শহিদ ত্রিপুরা রাজ্যের বীর সন্তান শম্ভু রায়ের দেহ আজ MBB বিমান বন্দরে এসে পৌঁছালে, সেখানে নত মস্তকে তাঁর এই বীরত্বের প্রতি আমার শ্রদ্ধা নিবেদন করি”l
টুইট করেন প্রতিমা ভৌমিক।
এর আগে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব তাঁর ফেসবুক পেজে শহীদ শম্ভু রায়কে শ্রদ্ধা জানান।
ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের সাথে যুদ্ধ করতে গিয়ে শহীদ হওয়া আমাদের বীরশ্রেষ্ঠদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে জাতি স্যালুট জানায় ।
ছত্তিশগড়ের মাওবাদীদের সাথে লড়াই করতে গিয়ে শহীদ হওয়া মাটির সন্তান শ্রী শম্ভু রায় জীর সাহস ও আত্মত্যাগকে স্যালুট জানায় ত্রিপুরা ।
ত্রিপুরার ৩৭ লক্ষ মানুষ এই দুঃখের সময় শ্রী শম্ভু রায় জীর পরিবারের সাথে সম্পূর্ণরূপে দাঁড়িয়েছে ।শহিদের পরিবারের প্রতি সকলের শ্রদ্ধা আছে। আহত কর্মীরা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুক ।
পরিবারের মতে, শম্ভু রায় মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ছত্তিশগড়ে গিয়েছিলেন।
শোকাহত রাষ্ট্রপতি বলেছেন , 'আমি গভীরভাবে শোকাহত। শহিদদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। গোটা দেশের মানুষ ঘটনায় মর্মাহত এবং শহিদের আত্মত্যাগ কোনদিন ভোলা সম্ভব নয়।'

