


ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের পর করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী। যিষ্ণু দেববর্মা করোনা পজিটিভ হয়েছেন। যিষ্ণু দেববর্মা তাঁর সোশ্যাল সাইটেই লিখেছেন নিজের করোনা পজিটিভ হওয়ার কথা। যিষ্ণু দেববর্মা বর্তমান হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। যিষ্ণু আহ্বান জানান, ‘আসুন আমরা সবাই নিরাপদে থাকি’।
তবে তাঁর অবস্থা কেমন আছে, সে বিষয়ে অতটা জানা যায়নি। এর আগে মারণ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। বুধবার নিজস্ব ফেসবুক পেইজ এবং টুইটারেও তিনি নিজেই এই কথা জানান।
“আমি কোভিড-১৯ পজিটিভ। নিজের বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছি। চিকিৎসকদের পরমর্সি মেনে চলছি। সবার কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা কোভিড সংক্রান্ত নির্দেশিকা মেনে চলুন আর সুস্থ থাকুন।” (I have been tested positive for Covid-19. I have isolated myself at home as per the advice of doctors. I request everyone to please follow all the covid appropriate behaviour and stay safe).
ভারতের অন্যান্য রাজ্যের সাথে সাথে ত্রিপুরাতেও করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। বলা বাহুল্য, মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কিন্তু মাস্ক পরিধান করতে দেখা যায়না। তিনি ইলেকশন রেলি করেছেন, কিন্তু মুখে মাস্ক নেই।
এমনকি কোন সামাজিক দূরত্বও বিপ্লব অবলম্বন করেননি। দেশের পরিস্থিতি যেখানে খারাপ, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মাস্কহীন! এ নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে।
করোনা যেমন বাড়ছে রাজ্যগুলোতে, যা দেখা গিয়েছে স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে সেরকম সতর্ক নন বিপ্লব দেব। এদিকে, ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে।
মহারাষ্ট্র সাংঘাতিক চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। মহারাষ্ট্র ছাড়াও পাঞ্জাব, কর্ণাটক, ছত্তিশগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলোও টানা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। পাশাপাশি অসমেও ধীরে ধীরে বাড়ছে করোনা।
জনগণের মধ্যে যে শিথিলতা স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে, মাস্ক না পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা; মূলত মানুষের অসচেতনতা আর উন্নাসিক মনোভাবেই বাড়ছে সংক্রমণ। বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে জানাচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি খুবই খারাপ করোনায়।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী টিকার দ্বিতীয় ডোজটি নিয়ে সকলকে টিকা নেয়ার জন্যে উৎসাহিত করেন। “ভাইরাসকে পরাজিত করতে টিকাকরণই হল একটি উপায়। আপনি যদি ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্যে যোগ্য হন তবে শীঘ্রই আপনার ডোজটি নিয়ে নিন”।

