টিকার ঘাটতি নেই, ব্যর্থতা ঢাকতেই ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি! মহারাষ্ট্রকে তোপ হর্ষ বর্ধনের

নিউজ ডেস্ক
কলকাতা

Published Time

April 8, 2021, 9:51 am

Updated Time

April 8, 2021, 9:51 am
there-is-no-shortage-of-vaccines-confusion-is-spreading-to-cover-the-failure-harsh-vardhan
হর্ষবর্ধন

ভারতে তীব্র গতিতে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ। 

টিকাকরণের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজও বলেছেন, ভাইরাসকে পরাজিত করতে টিকাকরণই হল একটি উপায়। আপনি যদি ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্যে যোগ্য হন তবে শীঘ্রই আপনার ডোজটি নিয়ে নিন।

এর মধ্যেই মহারাষ্ট্র সরকার দাবি করেছে, মুম্বই সহ একাধিক জায়গায় টিকার স্টক নেই-ই র দিকে। টিকার স্টক প্রায় নেই বললেই চলে। 

তবে সরকারের সব অভিযোগ নাকচ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। 

তিনি পরিষ্কার জানিয়েছেন, কোভিড টিকার কোনো অপ্রতুলতা নেই। কিছু রাজ্য বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

রাজ্যগুলো নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করছে বলেই তাঁর দাবি। 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন সাফ বলেছেন, ভারতের কতগুলি রাজ্য বিগত এক বছর ধরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে লাগাম টানতে ব্যর্থ হয়েছে।

এবং তাদের নিজেদের এই ব্যর্থতা ঢাকাড় জন্যে টিকার দাবি তোলা হয়েছে। রাজ্যগুলি সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এবং বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। 

তিনি বলেন রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে আলোচনা করে ভ্যাকসিন প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।টিকার চাহিদা এবং সরবরাহের গতি নিয়ে সবসময় রাজ্যসরকারগুলিকে সব ধরনের তথ্য জানানো হচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য যে, বুধবার মহারাষ্ট্র সরকার জানায় যে, রাজ্যে আর তিনদিনের মতো টিকা রয়েছে। 

মোটামুটি তিনদিনের মতো টেনেটুনে মহারাষ্ট্রের কিছু কিছু জায়গায় করোনার টিকা মজুত আছে। 

ভ্যাকসিনের এই কথা কেন্দ্রকে জানিয়েছে মহারাষ্ট্র উদ্ধব ঠাকরে সরকার। 

রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ টোপ বলেছেন, মুম্বই সহ একাধিক জায়গায় স্টক একেবারেই পড়তির দিকে। নেই বললেই চলে। 

মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপে বলেছেন, ‘রাজ্যে আর মাত্র তিনদিনের মতো টিকা মজুত করেছে। কেন্দ্রের কাছে আরও টিকার আর্জি জানানো হয়েছে। প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। মুম্বইয়ের অবস্থাও ভয়াবহ।’ 

এখন ১৪ লক্ষ ভ্যাকসিন মজুত আছে বলা জানান তোপ। 

তোপের সংযোজন, ‘এইমুহূর্তে ১৪ লক্ষ টিকা মজুত রয়েছে। যা দিয়ে আর মাত্র তিনদিন টিকাকরণ সম্ভব হবে। যা পরিস্থিতি তাতে প্রতি সপ্তাহে আমাদের ৪০ লক্ষ টিকার ডোজ দরকার। যাতে গড়ে প্রতিদিন ৫ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া যায়।’‌ 

ওদিকে আবার ওড়িশার স্বাস্থ্য সচিব পিকে মহাপাত্র কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কাছে চিঠি লিখেছেন, রাজ্যে টিকাকরণ কর্মসূচি ভালোভাবে চালানোর জন্যে কোভিশিল্ডের ১৫-২০ লক্ষ ডোজ প্রয়োজন।



Recent News

Available at

© 2019 - Maintained by EZEN Software & Technology Pvt. Ltd