অসুস্থ ভারত! বিগত ২৪ ঘন্টায় প্ৰায় ৩লাখ ৫৩হাজার আক্ৰান্ত; ২৮১২জনের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নয়া দিল্লি

Published Time

April 26, 2021, 1:04 pm

Updated Time

April 26, 2021, 1:28 pm
করোনা

ভারতে দৈনিক করোনা সংক্রমণের ঘটনার ক্ষেত্রে বিশ্বরেকর্ডের ধারা অব্যাহত রয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে শুধু আক্রান্তের সংখ্যাই নয়, মৃত্যুর সংখ্যাও দ্রুতহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ভারতে আছড়ে পড়েছে। এবং দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লক্ষের দিকে এগোচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় গোটা ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার। এই সংখ্যা আগের দিনের থেকে বেশ কয়েক হাজার বেশি। 

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, গত একদিনে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৯৯১ জন। আর এখনো পর্যন্ত ভারতে করোনায় মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১ কোটি ৭৩ লক্ষ ১৩ হাজার ১৬৩ জন। অন্যদিকে- করোনার বলি হয়েছে ২ হাজার ৮১২জন। 

আর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনো পর্যন্ত করোনা সারিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ কোটি ৪৩ লক্ষ ৪ হাজার ৩৮২ জন। সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হচ্ছে ২৮ লক্ষ ১৩ হাজার ৬৫৮ জন। 

ভারতের কয়েকটি রাজ্য করোনায় একেবারে ধরাশায়ী হয়ে পড়েছে। দিল্লি, মহারাষ্ট্রের অবস্থা খুব খারাপ। রবিবার মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৬ হাজার ১৯১ জন।এবং সংক্রমণে মারা গিয়েছেন ৮৩২ জন। এখনও পর্যন্ত প্রাণঘাতী করোনায় মহারাষ্ট্রে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৪ হাজার ৭৬০ জন।

অন্যদিকে, ভারতে এখনো পর্যন্ত মোট ১৪ কোটি ১৯ লাখ ১১হাজার ২২৩ জন লোক করোনার ভ্যাকসিন লাভ করেছেন। ভারতে করোনার সংক্রমণ রোধ করার জন্যে কেন্দ্রের সরকার টিকাকরণের গতি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামি ১ মে’ থেকে ১৮ বছরের উর্দ্ধের সবাইকে করোনার ভ্যাকসিন দেয়া হবে। 

উল্লেখ্য যে, এর ভিতর মহারাষ্ট্র এবং দিল্লিতে সংক্রমণ নিম্নমুখী হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু উত্তর প্রদেশ এবং ছত্তিশগড়ে নতুন করে সংক্রমণ উদ্বিগ্নতার সৃষ্টি করেছে। 

ভারতে করোনা রোগীর চাপ বাড়ার জন্যে হাসপাতালে বেডের সংখ্যা কমছে, সংকট অক্সিজেনের। ভারতে অক্সিজেনের সংকট মেটাতে ৫৫১ টি অক্সিজেন জেনারেশন প্ল্যান্ট তৈরি করা হবে। এ ব্যাপারে পিএম কেয়ার ফান্ড ব্যবহার করা হবে। এদিন এমনই জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে। 

অক্সিজেন তৈরির প্ল্যান্টগুলি খুব শীঘ্রই কার্যকরী করে তোলা হবে। এই সব অক্সিজেন প্ল্যান্ট থেকে জেলা সদরগুলির সরকারি হাসপাতালে অবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে।