কোভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করে দিল ভারত

নিউজ ডেস্ক
কলকাতা

Published Time

November 18, 2020, 10:14 am

Updated Time

November 18, 2020, 10:18 am
india-started-trial-of-covaccin
ফাইল ছবি

ভারত যুদ্ধকালীন গতিতে করোনা মোকাবিলায় কাজ করে চলেছে। সুস্থতার সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি কমছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও।

ইতিমধ্যে ভারতবাসীর জন্যে আরো এক সুখবর!  

ভারতে পরিচালিত সর্ববৃহৎ কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম ক্লিনিকাল ট্রায়ালের জন্যে মোট ২৬ হাজার অংশগ্রহণকারীদের তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে সংস্থা।

টিকা ট্রায়ালের অংশ হিসেবে, আগামি কয়েকটি মাসে গোটা দেশব্যাপী ২৫টি ট্রায়াল সাইটের মাধ্যমে মোট ২৬ হাজার অংশগ্রহণকারীকে তালিকাভুক্ত করা হবে। 

জানা যাচ্ছে, এরপর স্বেচ্ছাসেবীরা প্রায় ২৮ দিনের ব্যবধানে করোনা টিকার দুই ডোজ নেবেন। 

পরীক্ষায় যা অংশ নিতে ইচ্ছুক, সেই স্বেচ্ছাসেবীদের বয়স হতে হবে ১৮ বছরের বেশি।

সংস্থার পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়েছে, ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের ব্যাপারে রক্ষা করা হবে গোপনীয়তা। অর্থাৎ স্পষ্টভাবে বললে, তদন্তকারী, স্বেচ্ছাসেবী এবং কোম্পানির কেউ জানতে পারবেন না কাকে কোন গ্রুপে রাখা হয়েছে।

এ পর্যন্ত প্রথম এবং দ্বিতীয় ট্রায়ালে মোট ১ হাজার অংশগ্রহণকারীর উপর কো-ভ্যাকসিন টিকার পরীক্ষা চালানো হয়েছে।

এবং এই ভ্যাকসিন যথেষ্ট আশাপ্রদ ফলাফল দেখাতে সক্ষম হয়েছে।

সুরক্ষা ও প্রতিরোধ ক্ষমতা দেখিয়েছে টিকাটি।

বুধবার আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএমইউ) উপাচার্য তারিক মনসুর বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকার ট্রায়ালের জন্যে প্রথম স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। 

 

টিকার ট্রায়াল প্রটোকল রয়েছে। সে অনুযায়, একটি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কতটুকু অর্থাৎ কতটুকু সেটি কাজ করল তা নির্ধারণ করার জন্যে চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষায় প্রথমেই দেখা হবে, দুই ডোজ শট কোনও রোগীকে করোনার লক্ষণগুলো বৃদ্ধিতে বাধাদান করতে পারে কিনা।

এবং দ্বিতীয় দেখা হবে, রোগীর শরীরে রোগের গুরুতর লক্ষণ এবং মৃত্যু এড়ানোর ক্ষেত্রে এই টিকা কতটা কার্যকর।

ভারত বলা যায় করোনা প্রতিরোধে বর্তমান যথেষ্ট ভালো অবস্থায় রয়েছে। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কমেছে।

উল্লেখযোগ্য যে, ভারত বায়োটেকের নির্বাহী পরিচালক সাই প্রসাদ এর আগে বলেছিলেন, সংস্থা আগামি বছরের জুন মাসের মধ্যেই করোনা ভ্যাকসিন চালু করার পরিকল্পনা করেছে। তবে সরকার এর আগে এই টিকাকে আগের ক্লিনিকাল ট্রায়ালের ভিত্তিতে জরুরিভাবে ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবেই। টিকার কার্যকারিতা ভালো হলে তাহল ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকেই এটি চালু করতে পারে। তাহলে এই টিকাই হবে ভারতের কোভিশিল্ডের পর ভারতে চালু হওয়া দ্বিতীয় করোনা ভ্যাকসিন।



Recent News

Available at

© 2019 - Maintained by EZEN Software & Technology Pvt. Ltd