করোনা টিকা এলেও তৈরি হবে না হার্ড ইমিউনিটি! মানতে হবে কোভিড বিধি, সতর্ক করল WHO

নিউজ ডেস্ক
কলকাতা

Published Time

January 12, 2021, 1:15 pm

Updated Time

January 12, 2021, 1:20 pm
hard-immunity-will-not-be-created-even-if-the-corona-vaccine
করোনা

মাঝে মাঝেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবনে। যদিও সতর্কতা বাণী গ্রহণ করে সাবধান হতে হবে। 

ইতিমধ্যেই নোভেল করোনাভাইরাসের টিকা প্রয়োগ শুরু হয়েছে বিশ্বের নানান দেশে।

তবে টিকাকরণ শুরু হলেও নাকি হার্ড ইমিউনিটি বা অনাক্রমতা তৈরি হবে না।

সোমবার এমনই আশঙ্কার কথা শোনাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। 

এদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন বলেছেন, করোনা টিকা বাজারে এলেও এ বছর অনাক্রমতা অথবা হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হবে না। মানতেই হবে করোনাবিধি। 

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, “২০২১ সালে জনসংখ্যাগতভাবে অনাক্রমতা বা কঠোর অনাক্রমতা (হার্ড ইমিউনিটি) তৈরি হবে না। এই কারণে যা যা করোনাবিধি আছে, সে সব মেনে চলতেই হবে। যেভাবে এতদিন মানুষ পালন করে আসছে, ঠিক সেভাবেই শারীরিক দূরত্ব, হাত ধোওয়া, মাস্ক পরিধান করা, এসব করতেই হবে।”

ফলে এর মধ্যেই যদি জনগণ মনে করেন, টিকা চলে এসেছে আর ভয় নেই, তেমনটা মোটেও নয়। বরাবর যেভাবে সাবধানতা পালন করা হচ্ছে, সেভাবেই করতে হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলি টিকাকরণ শুরু করেছে। কিন্তু টিকাকরণ সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে অনেকের। আবার ভাইরাস গঠনগত পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে। তাই এই অবস্থায় টিকাকরণ হলেও অনাক্রমতা বা হার্ড ইমিউনিটি হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

ইতিমধ্যে আমেরিকা, ব্রিটেন, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, ইউরোপের নানা দেশে শুরু হয়েছে গণ টিকাকরণ। 

মূলত অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা, বায়োএনটেক-ফাইজার, মডার্নার টিকা প্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।

করোনাবিধি মানুষ যেভাবে ২০২০ সালে মেনেছেন, ঠিক সেভাবেই এ বছরও মানতে হবে, একথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী বহু আগে বলেছেন। টিকার উপর নির্ভর করে জনগণ যেন করোনা বিধি পালনে শিথিলতা না আনে, সে বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন তিনি। 

স্বামীনাথনও বলছেন, সারা বছর মেনে চলতে হবে করোনাবিধি। যেভাবে গবেষক, বিশেষজ্ঞরা কাজ করে চলেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

প্রসঙ্গত, গত বছর ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন তথা প্রজাতি ছড়িয়ে পড়ে ব্রিটেনসহ বিভিন্ন দেশগুলিতে। 

এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় মোকাবিলার জন্যে বন্ধ করে দেওয়া হয় সব সীমান্ত। ব্রিটেনের সব বিমান বাতিল করে দেয় একাধিক দেশ। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন ধারা করোনা ছড়াতে পারে খুবই দ্রুত হারে। ভাইরাসের অন্য প্রজাতির তুলনায় এটি ৭০ শতাংশ ক্ষতিকর। আর তাতে ৬০ শতাংশ সংক্রমণ বেড়েছে লন্ডনে। 

ফলে জনগণ যেন কোনইভাবেই নিজেদের মধ্যে শিথিলতা না আনেন। 



Recent News

Available at

© 2019 - Maintained by EZEN Software & Technology Pvt. Ltd