ভারতে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতর, লকডাউনের ইঙ্গিত উদ্ধব ঠাকরের

নিউজ ডেস্ক
নয়া দিল্লি

Published Time

February 23, 2021, 8:15 pm

Updated Time

February 23, 2021, 8:27 pm
corona-infection-is-on-the-rise-again-in-india-concerned-people-and-government
প্রতীকী

ভারতে ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। উদ্বেগ বাড়ছে জনগণের মধ্যে। 

পরিস্থিতি বিবেচনা করে শীঘ্রই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতর। 

করোনা নতুন করে পাঁচটি রাজ্যে থাব বসানো শুরু করেছে। 

উত্তর পূর্ব ভারতের অসম-ত্রিপুরাতেও দেখা যাচ্ছে সংক্রমণ ধরা পড়ছে। অসমের ডিব্রুগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জনের দেহে করোনা ধরা পড়েছে।  

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করার জন্যে অর্থাৎ অবস্থা কতটা ভয়াবহ হতে চলছে, অন্যান্য রাজ্যগুলোর করণীয় –সাবধানতা এ সবকিছু খতিয়ে দেখার জন্যে প্রধানমন্ত্রীর দফতর বৈঠকে বসে। 

জরুরি এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। 

বছর ঘুরে করোনার প্রকোপ আবার দেখা দিচ্ছে। টিকাকরণ শুরু হয়েছে যদিও এর মধ্যেই এক নতুন আতঙ্ক আবারো মানুষকে গ্রাস করছে। 

এমন পরিস্থিতিতে বেশ কিছু জরুরি পদক্ষেপ কেন্দ্র গ্রহণ করতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। 

২০২০ সাল পুরো অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করল ভারত। এখনো করছে। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে টিকাকরণ। 

অসমেও গুজব রটেছে হয়তো সরকার লকডাউন দিতে পারে। তবে এই গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। কারণ লকডাউনের কোন কথাই উচ্চারণ করেনি সরকার। সামনেই নির্বাচন। 

মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি করোনার রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। রাজ্যে ৬ হাজার ৯৭১ জন করোনা

ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারাঠা রাজ্যের পর আছে কেরল। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৭০ জন। আছে তমিলনাড়ু, কর্নাটক, পঞ্জাব।

জনগণের তো বটেই, সরকারও উদ্বিগ্ন এই পরিস্থিতি নিয়ে। 

মহারাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণ ৪.৭ শতাংশ থেকে ৮.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। খুব চিন্তার বিষয়।

পরীক্ষা কমালে চলবে না। ভারতের ৫টি রাজ্যকে করোনা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। RT-PCR পরীক্ষা করাতে হবে যত বেশি সম্ভব।

ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্রের আমরাবতীতে লকডাউন শুরু হয়েছে।

আর করোনা বিধি যদি না মানা হয় তাহলে রাজ্যে লকডাউন 

দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।

করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধটা কঠিন হচ্ছে। জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিইট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স (AIIMS)-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া। 

করোনার নয়া স্ট্রেন বিস্তার হচ্ছে। নতুন করে সত্য সত্যই ভাবিত করে তুলেছে দেশবাসীকে। কারণ ২০২০ সালে করোনা লকডাউনে যে ক্ষতি হয়েছে তা এক লেখায় শেষ করা যাবে না। 

মানসিক আর্থিক দিক দিয়ে মানুষ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে পড়েছেন। এখনো সে অবস্থা থেকে উঠতে পারেনি জনগণ। এর মধ্যে নতুন করে আবার লকডাউন দিলে আর বাঁচতে হবে না। সকলেই বলছেন এ কথা। 

এই স্ট্রেনের সঙ্গে লড়াই করা কঠিন। 

গুলেরিয়া জানিয়েছেন SARS-CoV-2 ভাইরাসের যে নতুন ভেরিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে সেটি পুনঃসংক্রমণ ঘটাতে পারে। 

এর জন্যে মানুষের দেহে ভাইরাসের অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়া প্রয়োজন।



Recent News

Available at

© 2019 - Maintained by EZEN Software & Technology Pvt. Ltd