প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়র স্ত্রী দীপা চট্টোপাধ্যায়

কলকাতা

Published Time

April 4, 2021, 12:05 pm

Updated Time

April 4, 2021, 12:15 pm
soumitra-chatterjees-wife-has-died
ছবিটি সংগ্রহ করা

বাংলা সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের পর চলে গেলেন স্ত্রী দীপা চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

কিডনি বিকল হয়ে রবিবার রাত ২.৫৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

দীপা চট্টোপাধ্যায়ের জীবনাবসানে শোকাহত মহল।  

রবিবার ভোর রাতে মারা গিয়েছে তিনি। সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। 

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়র মারা যাওয়ার স্মৃতি এখনো দগদগে। এত সহজে সব ভোলা যায় না। পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, গোটা ভারতবর্ষ ভেঙে পড়েছিল সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়র মৃত্যুতে। 

চার মাস আগে প্রয়াত হন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। কাল ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর মৃত্যু হয় তাঁর।

জানা যায়, দীপা দেবী গত ৪৫ বছর ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন।

হাসপাতালে ভর্তির পর তাঁর কিডনির সমস্যাও ধরা পড়ে।

বিংশ শতাব্দী তথা ১৯৬০ সালে দীপা চট্টোপাধ্যায় বিয়ে করেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁদের প্রেম করেই বিয়ে হয়েছিল।

দীপা ছিলেন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়র প্রয়াণের পর ভেঙে পড়েছিলেন দীপা।

আর পাঁচটা পুরুষের সাফল্যের পেছনে যেমন নারী থাকে, তেমনি শোনা যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কেরিয়ারে সাফল্যের অন্যতম কাণ্ডারি ছিলেন দীপাদেবী। 

এমনকি কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে 'গাছ', 'দুর্গা'। 

উচ্চশিক্ষিত তিনি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিলোজফিতে স্নাতক পাশ করেছিলেন দীপা চট্টোপাধ্যায়।

দীপাদেবী সংসারে রেখে গেলেন দুই সন্তান সৌগত চট্টোপাধ্যায় এবং পৌলমী বসুকে।

মেয়ে পৌলমী জানান, মূলত বাবা চলে যাওয়ার পর পরই বাঁচার সব আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলেন দীপা। এছাড়াও শারীরিক অসুস্থতা তো ছিলই। ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন ৪৫ বছর ধরে।

উল্লেখযোগ্য যে, ২০২০ সালের নভেম্বরে প্রয়াত হন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। 

৫ অক্টোবর তাঁর করোনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ আসে। 

এরপরই তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।করোনামুক্তও তো হয়েছিলেন। কিন্তু এভাবে যে চলে যাবেন কে জানত? 

শেষ পর্যন্ত কো-মর্বিডিটি ফ্যাক্টরের জেরে সৌমিত্রর শারীরিক অবস্থা আরো অবনতি হতে থাকে। 

দীর্ঘ লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানেন। যেতে দিতে ইচ্ছা নাহি, তবু হায় যেতে দিতে হয়! তাঁর মৃত্যুর শোক আজও রয়ে গিয়েছে বাঙালির মনে। অপূর্ণ হয়ে গেল একটা জায়গা। 



Recent News

Available at

© 2019 - Maintained by EZEN Software & Technology Pvt. Ltd