


মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমান অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। মিয়ানমারের সামগ্রিক পরিস্থিতি এতটাই অবনতি হয়েছে যে এখন প্রতিনিয়ত দেশের নাগরিকরা সন্ত্রাসের মধ্যে দিন যাপন করছে।
মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্রকামীদের বিক্ষোভে গুলি চালনা করে এবং বিভিন্ন জায়গায় অভিযানে সাত শতাধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত শুক্রবার এবং শনিবার নানান জায়গায় নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে কমপক্ষে ৮২ জন নিহত হয়। খবর নিউইয়র্ক টাইমস এর।
খবর অনুযায়ী, এত সংখ্যক লোককে গুলি করে হত্যা করা ছাড়াও এখনো পর্যন্ত ৩ হাজার ১২ জন লোককে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে। কী যে দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে মানুষকে!
শুধু তাই নয়, ৬৫৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। যাদের মধ্যে দেশটির রাজনীতিবিদ, সেলিব্রেটি এবং সাধারণ নাগরিকও আছে।
গত নভেম্বরের নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এ সময় প্রেসিডেন্ট উইন্ট মিন্ট ও ক্ষমতাসীন দল এনএলডি নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ রাজনীতিবিদদের গ্রেফতার করা হয়।
এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। গ্রেপ্তার করা হয় অং সান সু চিসহ তাঁর দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) শীর্ষ নেতাদের।
সেনাবাহিনী মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা জারি করে।উল্লেখযোগ্য যে, মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে চলছে বিক্ষোভ। সহিংস দমন-পীড়নে প্রাণহানি সত্ত্বেও দেশটির গণতন্ত্রপন্থীরা সেনাশাসনবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে বুকের পাটা শক্ত করে।
ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকার জন্যে সামরিক বাহিনী দমন-পীড়ন-নির্যাতনের মাত্রা এভাবে বাড়িয়েছে!মানুষ কাঁদছে মিয়ানমারে সেনার অত্যাচারে। রক্তে রাঙিয়ে দিচ্ছে মিয়ানমার। ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে দেশে।

