
এক প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস গোটা বিশ্বকে তছনছ করে ফেলেছে। মানুষের অবস্থা একেবারে শেষের পথে। চিন থেকে ছড়ানো করোনা ভাইরাসের কোপে কাঁপছে এখনো গোটা বিশ্ব। থমকে গিয়েছে জনজীবন। আর এখন এই আতঙ্কের মধ্যেই আবার নতুন ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। তাতে ইতিমধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। এতে করে গোটা বিশ্ব আবার নতুন করে প্রমাদ গুণছে। ভাইরাসটির নাম মাঙ্কি বি ভাইরাস।
কী যে এক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বিশ্বজুড়ে তার ঠিক নেই। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পর চিনে আরও এক নতুন ভাইরাস দেখা দিয়েছে। মাঙ্কি বি ভাইরাস। মূলত বাঁদরের শরীরেই এই ভাইরাসের দেখা মেলে। তবে উল্লেখযোগ্য যে, মাঙ্কি বি ভাইরাসে এই প্রথম কোনও মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ঘটনার পরই নতুন আতঙ্ক জুড়েছে।
তবে পৃথিবীতে মাঙ্কি-বি ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রথম নয়। এর আগে ১৯৩৩ সালে প্রথম মাঙ্কি ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এখন আবার সেই ভাইরাস।
জানা যায়, গবেষণাগারে কর্মরত এক গবেষককে কামড়ে দিয়েছিল পরীক্ষাগারের বাঁদরই। আর সেখান থেকে তাঁর শরীরে ছড়িয়ে পড়েছিল ভয়ঙ্কর ভাইরাস। মাংকি বি ভাইরাসের সংক্রমণে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে গত ১২ বছরে চার পাঁচজন মারা গিয়েছেন এই ভাইরাসের সংক্রমণে।
বলে রাখা প্রয়োজন যে, যাঁরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁরা মূলত বাদরের কামড় এবং আঁচরের কারণে সংক্রমিত হয়েছেন।
অনেকটা করোনার উপসর্গের মতোই এটি।
এই ভাইরাসে যদি কোনও ব্যক্তি সংক্রমিত হন তাহলে উপসর্গ ১ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয়। প্রথামিক উপসর্গ হিসেবে জ্বর, গায়ে ব্যাথা, পেশীতে যন্ত্রণা , মাথাব্যাথা দেখা দেয়। তবে মৃত্যুর সম্ভাবনাও রয়েছে। ভাইরাসের আক্রান্ত হলে মৃত্যু হতে পারে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষের। ফলে ভয়াবহ তো বটেই।
একের পর এক ধাক্কা আসছে। জনজীবন ধুলোয় মিশে যাচ্ছে যেন। কীভাবে কী করবে, জীবন চলবে কীভাবে সে চিন্তায় কাটছে দিনরাত। প্রথম ওয়েভের পর সেকেন্ড ওয়েভ। এবার থার্ড ওয়েভের আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। তার মধ্যে আবার মাঙ্কি বি ভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যু আতঙ্ক বাড়িয়েছে। অবশ্যই সাবধানে থাকুন, মাস্ক ব্যবহার করুন। বাইরে বেরোলে ডাবল মাস্ক পরিধান করুন। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখুন।