
হেঁচকি উঠলে আমাদের কত বিরক্ত লাগে, তা তো জানাই আছে। জল খেতে থাকি ক্রমাগত যতক্ষণ না হেঁচকি কমছে। আবার অনেকে কিছু সময় দমবন্ধ করে রাখেন যদি হেঁচকি বন্ধ হয়। কিন্তু একটানা ১০ দিন হেঁচকি! ভাবা যায়? ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট মহা বিপদে এমুহূর্তে। টানা ১০ দিন হেঁচকি উঠায় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অদ্ভূত সমস্যায় এখন ভুগছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারো। হেঁচকি বন্ধ হচ্ছেই না। সঙ্গে রয়েছে খুব পেটে ব্যথা । এই যন্ত্রণায় প্রচণ্ড দুর্বলও হয়ে পড়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ।সহজ নয় ব্যাপারটি। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে বলে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে। অসুস্থ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারোকে বুধবার প্রথম নিয়ে যাওয়া হয় দেশের একটি সেনা হাসপাতালে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর পাঠানো হয় সাও পাওলোর অন্য একটি হাসপাতালে।
চিকিৎসকের নির্দেশেই এ কাজ করা হয়েছে বলে প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জানিয়েছেন। গত ১০ দিন ধরে ক্রমাগত হেঁচকি উঠছে প্রেসিডেন্টের। দাঁতের একটি চিকিৎসার পরই তাঁর এই সমস্যা শুরু হয়।
পরীক্ষা করে চিকিৎসকদের অনুমান , ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের পাকস্থলীতে একটি ব্লক রয়েছে। সে থেকে এমন ঘটনা। হয়তো প্রয়োজনে অপারেশনও করা হতে পারে। উল্লেখযোগ্য যে, ২০১৮ সালে একটি অনুষ্ঠানে বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর এক সমর্থক বলসোনারোকে ছুড়ি দিয়ে আঘাত করে। প্রেসিডেন্টের পেটে চালানো হয়েছিল ছুরি।
আর সে সময় যে চিকিৎসক তাঁর চিকিৎসা করেছিলেন, তিনিই এখন দেখছেন। ওই ছুরিকাঘাতের পর বলসোনারোর একাধিক পেটের সমস্যা হয়েছে। অনেক সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসাও করাতে হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক এই সমস্যাও ওই ঘটনার জন্যই হয়তো।
বলসোনারো নিজেও টুইট করেছেন। সেখানে ২০১৮ সালের ঘটনার কথা উল্লেখ করে বিরোধী বামশক্তিকে এক হাত নিয়েছেন। বক্তব্য, রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি বলেই বামপন্থিরা তাকে আঘাত করার চেষ্টা করেছিল। যার ফল এখনো ভুগতে হচ্ছে।গত কয়েকদিন ধরে হেঁচকি তুলছেন তিনি। সমানে হেঁচকি উঠছে। আর বন্ধ হচ্ছে না। সম্প্রতি একটি সভাতেও কথা বলার সময় বার বার হেঁচকি ওঠে ।