
বিশ্ব এখনো মারণ করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। চিনের উহান থেকে ধীরে ধীরে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে ভুক্তভোগী হচ্ছে জনগণ। এখনো লড়াই চলছে। পরিত্রাণ পাওয়া যায়নি।
চিনেই যত ভাইরাসের গোঁড়া। একের পর এক সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে। এদিকে এক বছর পর ফের সেই চীনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। করোনার উৎপত্তিস্থল সেই উহানে আবার আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে । ঘটনায় তৎপর হয়ে পড়েছে প্রশাসন। উহান প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সেখানকার সব বাসিন্দার নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
এদিন মঙ্গলবার এই সিদ্ধান্ধের কথা প্রশাসন জানায়। গতকাল সোমবার উহান প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, অন্য শহর থেকে আসা শ্রমিকদের মধ্যে সাত জনের শরীরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এক বছর পরে এই ঘটনা ঘটেছে। সব বাসিন্দাদের বাড়ির ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গণ হারে নমুনা পরীক্ষাও শুরু হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার চীনে ৯১ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। বিমানবন্দরের সাফাই কর্মীদের মধ্যে অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন। উহানের পাশাপাশি রাজধানী বেজিংয়েও শুরু হয়েছে নমুনা পরীক্ষা। ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা বাড়াচ্ছে দেশটি।গোটা পৃথিবীর মনে আছে উহানের ঘটনা। আর কীভাবে আস্তে আস্তে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল করোনা।
বিস্মিত মানুষ, কী এই ভাইরাস? হলো লকডাউন, কড়া বিধিনিষেধ। মাস্ক পরিধান, শারীরিক দূরত্ব মেনে চলা শুরু হলো। করোনা লকডাউনে ভারতের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। মেরুদণ্ড একেবারে ভেঙে পড়েছে। লোকজনের চাকুরি, কাজ চলে গেছে। একের পর এক মানুষ আত্মহত্যা করছে। কী বীভৎস সময়! এখনো দেশের রাজ্যে রাজ্যে বিধি নিষেধের মধ্য দিয়েই চলেছে। কোথাও কোথাও কিছু শিথিল হয়েছে।
তবে অর্থনৈতিক অবস্থা আগের জায়গায় আসতে প্রচুর সময় লাগবে। টিকাকরণ শুরু হয়েছে, বর্তমানে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে যদিও করোনা মহামারির তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে কঠোরভাবে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে প্রত্যেককে।