


ভাঙবে তবু মচকাবে না এমন একটা অবস্থা। মাথা নোয়াবে না ঠিক করে নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।
সরকার এবং সুপ্রিম কোর্টের কড়া সমালোচনার মুখেও গত বৃহস্পতিবার মার্ক জাকারবার্গের সংস্থা জানিয়ে দেয়, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট যদি রাখতে হয় তাহলে ১৫ মে থেকে নতুন প্রাইভেসি নীতি মানতে হবে।আর না করলে বন্ধ হয়াটসঅ্যাপ।
তবে আরো একটি বিকল্পও পথ রাখা হয়েছে ভাবনা চিন্তা করার জন্যে। অর্থাৎ ১৫ মে'র পর হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা পাবেন ১২০ দিন সময়।সেটি চিন্তা আর মনস্থির করার জন্যে।
তবে সে সময় কল বা নোটিফিকেশন দেখতে পাবেন ঠিকই কিন্তু কোন মেসেজ পাঠাতে অথবা পড়তেও পারবেন না।
ইতিমধ্যে কেউ কেউ হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়েছেন। টেলিগ্রাম-সিগন্যাল বেছে নিয়েছেন। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়ে দিলেও বা বন্ধ হয়ে গেলেও কি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটগুলো পাঠানো যাবে নতুন প্ল্যাটফর্মে?
এক্ষেত্রে পাঠানো যাবে।
সিগন্যালে শুধুমাত্র গ্রুপ মেসেজিং পাঠানো যাবে, কোন ওয়ান-টু-ওয়ানগুলি যাবে না। আর টেলিগ্রামে সব পাঠানো যাবে।
সবমিলিয়ে টেলিগ্রামের জনপ্রিয়তা বাড়ছে সিগন্যালের চাইতেও।
জানিয়ে রাখি গত জানুয়ারি মাসে ভারতে সর্বাধিক ইনস্টল হওয়া অ্যাপ হচ্ছে টেলিগ্রাম।কারণ প্রত্যেক হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর চিন্তা হয়ে গিয়েছে।
৬৩ লক্ষ গ্রাহক এই অ্যাপ ব্যবহার শুরু করেছেন জানুয়ারি মাসে।
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রাখায় ব্যর্থ হয়েছে ফেসবুক মালিকাধীন সংস্থাটি।
নয়া নিয়মাবলীর বিষয়ে সম্মতি দেয়ার জন্যে ব্যবকারীদের ১৫ মে’ পর্যন্ত সময় দেয়া হবে। এর পর নতুন নিয়মে সম্মতি না দিলে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বন্ধ করে দেয়া হবে এবং অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে।
যাকে এতদিন বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়েছিল, সেই হোয়াটসঅ্যাপের দিকে তাকাতে এখন মানুষ ভয় পাচ্ছেন।
আর ভয় পাবেন নাই বা কেন? প্রত্যেক মানুষের একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে, আর সেগুলো কিনা...!

