


বাংলাদেশে মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। শ্মশান ও গোরস্থানে সৎকারের অপেক্ষায় দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। এরই মধ্যে করোনাভাইরাস মহামারীর ’দ্বিতীয় ঢেউ’ সামলাতে পদক্ষেপের অংশ হিসাবে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ সরকার।
মারণঘাতী এই রোগ সংক্রমণ রোধে অত্যাবশ্যক মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আসছে জেলা প্রশাসন।
ঢাকার রাস্তায় দেখা গেছে কারও বাড়ি থেকে মাস্ক আনতে মনে নেই, কারও তা পরলে দম বন্ধ লাগে; আবার কেউ কেউ মাস্ক নিয়ে বের হলেও ‘পড়ে গেছে’ পথে-এমনই নানা অজুহাতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের এই উপকরণ পরছেন না বহু মানুষ।
মাস্ক মুখে না জড়িয়ে যারা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মুখোমুখি হচ্ছেন প্রতিদিন, তাদের অনেককে গুণতে হচ্ছে নগদ জরিমানা, সঙ্গে পাচ্ছেন বিনামূল্যের মাস্কও।
বাংলাদেশের ঢাকায় বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে পাওয়া যায় এমন চিত্র। তবে জেল-জরিমানায় সীমাবদ্ধ না থেকে নিম্ন আয়ের মানুষদের হাতে বিনামূল্যের মাস্কও তুলে দিচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট।
মঙ্গলবার রাজধানীর ফকিরেরপুল, শান্তিনগর, বিমানবন্দর রেলস্টেশন, সদরঘাট, সচিবালয়, বেড়িবাঁধ, জেলা জজ আদালত এলাকা, বায়তুল মোকাররম, লালবাগ, নিউমার্কেট ও মিরপুরসহ মোট ১৫টি জনবহুল স্থানে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জসচেতনতা বৃদ্ধিতে মাইকিং করা হয়।
এসময় গরিব/অসহায় লোকদের মাঝে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়। এছাড়াও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এসব কার্যক্রম ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন।

