
বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণেই অন্তত হিসেবে তাই মনে হচ্ছে। তবে সাময়িক স্বস্তি বলেই মনে করা হচ্ছে। নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে একথা বলার সময় এখনো হয়নি।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন আরো ৬১ জন। যা গত ৮০ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। আর এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে সর্বমোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৪৯৩ জনে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৪৩ জনের। এতে করে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ১২ হাজার ২৬ জনে। আজ শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যগুলো জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে শনাক্ত হারও। এ সময়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ৭৫০টি। শনাক্ত হার ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। বাংলাদেশ সরকার টিকাকরণের উপরও জোর দিয়েছে। তবে সাবধানতা এখনো সেরকম আনা গেল না। প্রথম থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টা বাংলাদেশে দেখা যায়নি। যা অত্যন্ত জরুরি।
গতকাল শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর করোনায় ৭০ জনের মৃত্যু এবং ৩ হাজার ১৬৭ জন শনাক্তের তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এবং এর আগে করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয় গত ৫ আগস্ট। আর ৯ আগস্ট ২৪৫, ১০ আগস্ট ২৬৪, ১১ আগস্ট ২৩৭, ১২ আগস্ট ২১৫ এবং ১৩ আগস্ট ১৯৭, ১৪ আগস্ট ১৭৮, ১৫ আগস্ট ১৮৭, ১৬ আগস্ট ১৭৪, ১৭ আগস্ট ১৯৮, ১৮ আগস্ট ১৭২, ১৯ আগস্ট ১৫৯, ২০ আগস্ট ১৪৫, ২১ আগস্ট ১২০ জন, ২২ আগস্ট ১৩৯ জন ও ২৩ আগস্ট ১১৭, ২৫ আগস্ট ১১৪, ২৬ আগস্ট ১০২, ২৭ আগস্ট ১১৭, ২৮ আগস্ট ৮০, ২৯ আগস্ট ৮৯, ৩০ আগস্ট ৯৪, ৩১ আগস্ট ৮৬, ১ সেপ্টেম্বর ৭৯, ২ সেপ্টেম্বর ৮৮ জন মারা যায়।
এই করোনা, লকডাউনে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অর্থনীতি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহুলভাবে শিক্ষার্থীরা। তারা শারীরিক, মানসিক দুই দিক দিয়েই ভীষণ ক্ষতির সম্মুখীন।
এর মধ্যে বাংলাদেশে স্কুল-কলেজ খোলার পর প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রী যে সুনির্দিষ্ট তারিখ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী ক্লাস শুরু করতে পারবো বলে আশা করছি। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে একদিন করে ক্লাস নেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে সেটা পরিবর্তন হতে পারে, হয়তো বা আরো বেশিদিন ক্লাস নিতে পারব।
শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, এইচএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষা সশরীরে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এটাই আপাতত লক্ষ্য। অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলবে। আগামিতে নতুন সিলেবাসের রূপরেখা দাঁড় করিয়েছি।
বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণেই অন্তত হিসেবে তাই মনে হচ্ছে। তবে সাময়িক স্বস্তি বলেই মনে করা হচ্ছে। নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে একথা বলার সময় এখনো হয়নি।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন আরো ৬১ জন। যা গত ৮০ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। আর এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে সর্বমোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৪৯৩ জনে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৪৩ জনের। এতে করে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ১২ হাজার ২৬ জনে। আজ শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যগুলো জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে শনাক্ত হারও। এ সময়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৭ হাজার ৭৫০টি। শনাক্ত হার ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। বাংলাদেশ সরকার টিকাকরণের উপরও জোর দিয়েছে। তবে সাবধানতা এখনো সেরকম আনা গেল না। প্রথম থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টা বাংলাদেশে দেখা যায়নি। যা অত্যন্ত জরুরি।
গতকাল শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর করোনায় ৭০ জনের মৃত্যু এবং ৩ হাজার ১৬৭ জন শনাক্তের তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এবং এর আগে করোনায় একদিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয় গত ৫ আগস্ট। আর ৯ আগস্ট ২৪৫, ১০ আগস্ট ২৬৪, ১১ আগস্ট ২৩৭, ১২ আগস্ট ২১৫ এবং ১৩ আগস্ট ১৯৭, ১৪ আগস্ট ১৭৮, ১৫ আগস্ট ১৮৭, ১৬ আগস্ট ১৭৪, ১৭ আগস্ট ১৯৮, ১৮ আগস্ট ১৭২, ১৯ আগস্ট ১৫৯, ২০ আগস্ট ১৪৫, ২১ আগস্ট ১২০ জন, ২২ আগস্ট ১৩৯ জন ও ২৩ আগস্ট ১১৭, ২৫ আগস্ট ১১৪, ২৬ আগস্ট ১০২, ২৭ আগস্ট ১১৭, ২৮ আগস্ট ৮০, ২৯ আগস্ট ৮৯, ৩০ আগস্ট ৯৪, ৩১ আগস্ট ৮৬, ১ সেপ্টেম্বর ৭৯, ২ সেপ্টেম্বর ৮৮ জন মারা যায়।
এই করোনা, লকডাউনে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অর্থনীতি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহুলভাবে শিক্ষার্থীরা। তারা শারীরিক, মানসিক দুই দিক দিয়েই ভীষণ ক্ষতির সম্মুখীন।
এর মধ্যে বাংলাদেশে স্কুল-কলেজ খোলার পর প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। তিনি বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রী যে সুনির্দিষ্ট তারিখ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী ক্লাস শুরু করতে পারবো বলে আশা করছি। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে একদিন করে ক্লাস নেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে সেটা পরিবর্তন হতে পারে, হয়তো বা আরো বেশিদিন ক্লাস নিতে পারব।
শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, এইচএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষা সশরীরে নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এটাই আপাতত লক্ষ্য। অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই চলবে। আগামিতে নতুন সিলেবাসের রূপরেখা দাঁড় করিয়েছি।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে আলোচনা করে নতুন সিলেবাস বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি জানান।