
বাংলাদেশের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। অন্তত হিসেব তাই বলছে। করোনা, লকডাউনে শিক্ষার্থীদের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। তারা শারীরিক, মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।
এর মধ্যে আগামি ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ খুলবে। আজ, রবিবার ৫ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এ সভা। তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খুলবে। শুরুতে এ বছর, আগামি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং ৫ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহের ছয়দিন আসবে। ১ম, ২য়, ৩য়, চতুর্থ, ৬ষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে একদিন আসবে। এবং সব শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের মাস্ক পড়তে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নেবে একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট।
তিনি আরো বলেছেন, জেএসসি, জেডিসি ও বার্ষিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া থাকবে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আর ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সকলকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।
উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামি ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল-কলেজ খোলা হবে। দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, মাদ্রাসা, কারিগরিসহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে। যদিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পালন করতে হবে বিশেষ কিছু শর্ত। মোদ্দা কথা হচ্ছে, মারণ করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার কাজ করে চলেছে।টিকাকরণের উপরও জোর দেয়া হচ্ছে। তবে আমজনতার মধ্যে সাবধানতা অবলম্বন করাটা খুব জরুরি। তাহলেই করোনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।