


করোনার দাপট বাংলাদেশে! অতিমারিতে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আবারো মারা গেলেন ১০১ জন। এই সংখ্যা নিয়ে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে প্রাণ হারালেন এখনো পর্যন্ত মোট ১০ হাজার ২৮৩ জন।
এদিকে বিগত ২৪ ঘন্টায় মারণ ভাইরাস ধরা পড়েছে মোট ৩ হাজার ৪৭৩ জনের শরীরে। আজ, শনিবার, ১৭ এপ্রিল বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যে করোনা সংক্রান্ত এ তথ্যগুলো জানা গেছে।
বাংলাদেশে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা। মাস্ক পরিধান তো করতেই হবে, হতে হবে স্বাস্থ্যসচেতন। শিথিলতা বিপদ আরো বাড়াবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে ১৬ হাজার ১৮৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
এবং ২৪ ঘণ্টায় নতুন করোনা শনাক্ত ৩ হাজার ৪৭৩ জনকে নিয়ে বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সর্বমোট ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জন।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৫ হাজারের অধিক ব্যক্তি। সংখ্যাটা ৫ হাজার ৯০৭ জন।
আর এখনো পর্যন্ত করোনা সারিয়ে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। অন্যদিকে প্রথম মৃত্যু হয় এর দশদিনের মাথায় অর্থাৎ ১৮ মার্চ।
বাংলাদেশে গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। লোকজনের মধ্যে উদাসীনতাও তো কম নয়! মাস্ক পরতে এক শ্রেণীর নাগরিকের অনীহা, ফলে সবমিলিয়ে বেড়েছে সংক্রমণ।
আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপর ছিল। যদিও এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে করোনা পরিস্থিতি।
কিন্তু আবারো ২০২১ সালের মার্চে শুরু হয় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আর প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ আরো বেশি তীব্র। ফলে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে করোনায় এত মৃত্যুর সংখ্যা দেখেনি বাংলাদেশ। এ বছর যেন আরো বেশি ভয় ধরাচ্ছে করোনা। অতিমারি করোনা আক্রান্ত এবং মৃত্যু রেকর্ড হারে বাড়তে থাকে বাংলাদেশে। অবশ্যই সাবধান হয়ে, নিজেদের সংযত করে চলতে হবে।

